রুপার দাম আউন্সপ্রতি ৪০ ডলার ছাড়াতে পারে

বিশ্ববাজারে রুপার দাম আগামী মাসগুলোয় আউন্সপ্রতি ৪০ ডলার ছাড়াতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে মার্কিন বিনিয়োগ ব্যাংক সিটিগ্রুপ।

বিশ্ববাজারে রুপার দাম আগামী মাসগুলোয় আউন্সপ্রতি ৪০ ডলার ছাড়াতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে মার্কিন বিনিয়োগ ব্যাংক সিটিগ্রুপ। চাহিদা বাড়ার পাশাপাশি সরবরাহ সংকট মূল্যবৃদ্ধির পেছনে ভূমিকা রাখবে। সম্প্রতি প্রকাশিত এক বিশ্লেষণধর্মী প্রতিবেদনে ব্যাংকটি জানায়, আগামী তিন মাসে রুপার দাম পৌঁছতে পারে আউন্সপ্রতি ৪০ ডলারে। এর আগে দেয়া পূর্বাভাসে যা ছিল আউন্সে ৩৮ ডলার। খবর মাইনিংডটকম।

সিটিগ্রুপ আরো জানায়, আগামী ছয় থেকে ১২ মাসের জন্য রুপার দীর্ঘমেয়াদি মূল্য লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৪৩ ডলার। প্রতিষ্ঠানটির বিশ্লেষক ম্যাক্স লেটনের নেতৃত্বে পরিচালিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, টানা কয়েক বছরের ঘাটতি, সরবরাহকারীদের উচ্চমূল্য প্রত্যাশা ও বিনিয়োগ চাহিদার ঊর্ধ্বগতির কারণে রুপার সরবরাহ কমে যেতে পারে।

চলতি বছর রুপার দাম এরই মধ্যে ৩০ শতাংশের বেশি বেড়েছে। এর মধ্যে শুধু জুনে ধাতুটির দাম ১০ শতাংশের বেশি বেড়েছে। সে সময় রুপার দাম আউন্সপ্রতি ৩৯ ডলার অতিক্রম করে।

সিটিগুপের বিশ্লেষকরা জানান, রুপার সাম্প্রতিক দামের ঊর্ধ্বগতি শুধু স্বর্ণের তুলনায় পিছিয়ে পড়া মূল্য ঘাটতি পূরণের প্রভাবে নয়। বরং এটি ধাতুটির শক্তিশালী মৌলিক চাহিদা ও বাজার পরিস্থিতির প্রতিফলন। তারা জানান, মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের (ফেড) সুদহার হ্রাস রুপার দাম বাড়ার পেছনে ভূমিকা রাখবে।

এদিকে ২০২৫ সালে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর ক্রয় ও ইটিএফ প্রবাহের কারণে স্বর্ণের দাম ২৭ শতাংশ বেড়ে আউন্সপ্রতি ৩ হাজার ৫০০ ডলারের রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছিল। সিটিগ্রুপ এ বিষয়ে জানিয়েছে, এ উচ্চমূল্য দীর্ঘস্থায়ী নাও হতে পারে।

ব্যাংকটি জুনে প্রকাশিত পূর্ববর্তী প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে জানায়, বিনিয়োগ চাহিদা দুর্বল হওয়া, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতির উন্নয়ন ও সুদহার কমানোর সম্ভাবনার কারণে স্বর্ণের দরপতন ঘটতে পারে।

এ প্রেক্ষাপটে সিটি আগামী প্রান্তিকে স্বর্ণের দাম আউন্সপ্রতি ৩ হাজার ডলারের ওপরে থাকতে পারে বলে জানিয়েছে। তবে আগামী বছর তা ধীরে ধীরে কমে আউন্সপ্রতি ২ হাজার ৫০০ থেকে ২ হাজার ৭০০ ডলারের মধ্যে নেমে আসার পূর্বাভাস দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

আরও